• NEWS PORTAL

  • বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

‘প্রাইম বিগ ডিল ডেজ’-এর মধ্যেই ফের অ্যামাজনে ছাঁটাই!

প্রকাশিত: ১০:০২, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
‘প্রাইম বিগ ডিল ডেজ’-এর মধ্যেই ফের অ্যামাজনে ছাঁটাই!

অ্যামাজনের জমজমাট কেনাকাটার আয়োজন ‘প্রাইম বিগ ডিল ডেজ’ চলছে। এর মধ্যেই ফের কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর দিল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটি। এবার অল্পসংখ্যক কর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যাদের বড় অংশই প্রতিষ্ঠানটির ‘স্টোরস’ ইউনিটে কাজ করতেন। এই ইউনিটই অ্যামাজনের মূল ই-কমার্স ওয়েবসাইট পরিচালনা করে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) অ্যামাজন ছাঁটাইয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মঙ্গলবার শুরু হওয়া ‘প্রাইম বিগ ডিল ডেজ’ বুধবার পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। এ আয়োজনে বিভিন্ন পণ্যে ক্রেতাদের জন্য নানা ধরনের মূল্যছাড় দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ এই ছাঁটাই গত বছর শুরু হওয়া বড় কর্মী ছাঁটাইয়ের ধারাবাহিকতার অংশ। ওই সময় প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল অ্যামাজন, যা চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এবারের ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়া কয়েকজন কর্মী রয়টার্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভ্যন্তরীণ স্ল্যাক চ্যানেলে দেওয়া এ-সংক্রান্ত পোস্টও শেয়ার করেছেন।

বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, এবার এক হাজারেরও কম শ্বেতপোশাকধারী কর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দিয়েছে অ্যামাজন। এর আগে বিজনেস ইনসাইডারও এই ছাঁটাইয়ের খবর প্রকাশ করেছিল।

অ্যামাজনের এক মুখপাত্র ই-মেইলে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের স্টোরস ব্যবসার কিছু অংশে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই কাঠামো আমাদের অগ্রাধিকারগুলো বাস্তবায়নে আরও কার্যকরভাবে সহায়তা করবে।’

অভ্যন্তরীণ স্ল্যাক চ্যানেলের তথ্য অনুযায়ী, স্টোরস ইউনিটের একাধিক বিভাগে ছাঁটাই হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্রাহকসেবা এবং বিক্রয় অংশীদারদের সেবা দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। অ্যামাজনের আরও কিছু ইউনিটেও ছাঁটাই হয়ে থাকতে পারে বলে ওই তথ্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও যুক্তরাজ্যে অ্যামাজনের কর্মরতদের মধ্যেও কয়েকজন এই ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়েছেন।

অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান জেফ বেজোস বুধবার সম্প্রচারিত ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মহামারির সময় অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের কারণেই পরবর্তী সময়ে কর্মী সংখ্যা কমানোর প্রয়োজন হয়েছে।

আগের দফায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে বেজোস বলেন, মহামারির সময় মানুষ ঘরে অবস্থান করছিলেন এবং ব্যাপকভাবে অনলাইনে পণ্য কিনছিলেন। ফলে ওই সময় অ্যামাজনের জন্য পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত চাপপূর্ণ।

বেজোস বলেন, ‘পুরো দল অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং অনেক কিছু করেছে। কিন্তু আমরা সত্যিই আমাদের কর্মীর সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে ফেলেছিলাম।’

মহামারির সময় অনলাইন কেনাকাটা বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে দ্রুত কর্মী নিয়োগ করেছিল অ্যামাজন। পরবর্তী সময়ে ব্যবসার কাঠামো ও চাহিদায় পরিবর্তন আসায় ধাপে ধাপে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনছে প্রতিষ্ঠানটি।

সূত্র: রয়টার্স

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত