• NEWS PORTAL

  • রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

মিসরের গিজায় দুই ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৮৮

প্রকাশিত: ২১:১৩, ৮ নভেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
মিসরের গিজায় দুই ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৮৮

মিসরের রাজধানী কায়রোর দক্ষিণে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৮৮ জন। দুর্ঘটনার পর ট্রেন দুটির বেশ কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রবিবার (৮ নভেম্বর) দেশটির গিজা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মিসরের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, গিজা থেকে ফাইয়ুমগামী একটি ট্রেন কায়রো থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় আসওয়ান শহরের দিকে যাওয়া অন্য একটি ট্রেনের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাথমিক হিসাবে চারজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত ৮৮ জনকে গিজা এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা ১২০ বলা হয়েছিল। তবে তাদের আঘাতের ধরন বা মাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

দুর্ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি তদন্তে কারও অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধারকর্মীরা ক্রেন ব্যবহার করে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ করছেন। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গিজার আল-আয়াত এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। মিসরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনাগুলোর একটি ঘটেছিল এই এলাকায়।

এর আগে ২০০২ সালে কায়রোর দক্ষিণে ছুটির ভ্রমণে যাত্রী বহনকারী একটি ট্রেনে আগুন লেগে ৩৭০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ২০০৯ সালেও ওই এলাকায় একাধিক ট্রেন দুর্ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষ নিহত হন।

মিসরের প্রায় ১১ কোটি মানুষ যাতায়াতের জন্য রেলপথের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ রেল নেটওয়ার্ক থাকা সত্ত্বেও দেশটির রেলপথে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।

গত এক দশকে সড়ক ও রেল যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে মিসর। নতুন মহাসড়ক ও দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণেও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রকল্প। তবে দেশটির পুরোনো রেল নেটওয়ার্কের বড় একটি অংশ এখনো আধুনিকায়নের বাইরে রয়ে গেছে।

ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: