• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ০৮:৫৯, ৯ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ০৯:১৫, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ

গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে ভারতের সঙ্গে নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ। আগামী ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে এ চুক্তি সম্পন্ন করার প্রত্যাশা জানিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, নতুন চুক্তিতে পানিপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা সংবলিত ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ পুনর্বহাল করতে হবে। অন্যদিকে, এ সমস্যার সমাধান সংলাপের মাধ্যমে সম্ভব বলে মনে করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তীব্র খরা ও কৃষিকাজে বিপর্যয় মোকাবিলায় ১৯৭৭ সালে প্রথমবারের মতো ভারতের সঙ্গে পাঁচ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি করে বাংলাদেশ। এরপর দুই দফায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও ১৯৯৬ সালে দুই দেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি হয়। চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর এ চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন চুক্তি করতে চায় বাংলাদেশ।

পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে দেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের অগ্রগতি এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

সেমিনারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রবাহিত ১৫৪টি অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন নিয়ে চুক্তির ক্ষেত্রে ভারতকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার তাগিদ দেন তিনি।

এদিকে, সেমিনারে রাজধানী ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নদীদূষণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় প্রতিদিন প্রায় ৩৯০ কোটি লিটার বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে রাজধানীর আশপাশের নদীগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ কোটি লিটার তরল বর্জ্য মিশছে। এর ফলে বছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ১০০ কোটি ডলার।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নদীদূষণ রোধ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত