ছয় মাসে ২০ হাজার কি.মি নদী-খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের দাবি প্রতিমন্ত্রীর
ফাইল ছবি
বর্তমান সরকার সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল, তা মাত্র ছয় মাসে শতভাগ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি জানিয়েছেন, উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি নদী- করতোয়া, ইছামতি ও গজারিয়া খননে প্রায় ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দ্রুত দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করে এসব নদীর খননকাজ শুরু করা হবে।
রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে বগুড়া শহরের এসপি ব্রিজসংলগ্ন করতোয়া নদী পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, করতোয়া, ইছামতি ও গজারিয়া নদী খননের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খননকাজ শুরু করা হবে। এসব নদীর খনন শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি, যোগাযোগ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, চলতি মাসের শেষ দিকে করতোয়া, ইছামতি ও গজারিয়া নদী খননকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নদী পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক রুহুল আমিন, বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান, বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পরে প্রতিমন্ত্রী জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে বগুড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। সেখানে যুব উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঋণের চেক ও যুব সংগঠনের নিবন্ধন সনদ বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া জেলার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক ও উদ্যোক্তাদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: