হজের কোটা শেষ হওয়ার পরও থামেনি আবেদন, সৌদির কাছে হাবের নতুন দাবি
নির্ধারিত হজ কোটা পূর্ণ হয়ে গেলেও থামেনি বাংলাদেশিদের হজে যাওয়ার আগ্রহ। সৌদি আরবের নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা শেষ হওয়ার পরও প্রায় ২০ হাজার হজযাত্রী অপেক্ষমাণ রয়েছেন। তাদের সুযোগ করে দিতে সৌদি সরকারের কাছে আরও ২০ হাজার হজ কোটা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি হোটেলে হজ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ অবস্থা জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন।
হাব মহাসচিব জানান, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে (৯ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরি) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৭ সালের জন্য সৌদি সরকার বাংলাদেশের হজ কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন নির্ধারণ করেছে। তবে বাংলাদেশের জন্য মূল হজ কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন।
তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় ২০২৭ সালের কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ জন করা হয়। তবে এবার নিবন্ধনের শেষ পর্যায়ে হজে গমনেচ্ছুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই কোটা পূর্ণ হয়ে যায়।
গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিবন্ধনের সময় শেষ হওয়ার আগেই সৌদি আরবের দেওয়া কোটা পূরণ হয়। এরপরও অনেক হজে গমনেচ্ছু টাকা জমা দেন। হজযাত্রীদের টাকা গ্রহণের জন্য শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখা হলেও কোটা পূরণ হয়ে যাওয়ায় নিবন্ধন সার্ভার বন্ধ হয়ে যায়। ফলে টাকা জমা দেওয়ার পরও প্রায় ১৭ হাজার ব্যক্তি নিবন্ধিত হতে পারেননি বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, অপেক্ষমাণ হজযাত্রীরা মানসিক ও আর্থিকভাবে হজ পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। কোনো কোনো পরিবারের কিছু সদস্য নিবন্ধিত হলেও অন্যরা অপেক্ষমাণ রয়েছেন। তাদের কথা বিবেচনা করে কমপক্ষে আরও ২০ হাজার কোটা বরাদ্দ প্রয়োজন।
ইতোমধ্যে অতিরিক্ত কোটা চেয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে হাব। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোটা বাড়ানোর প্রস্তাবসংবলিত চিঠি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: