হজ মিশন ভিসা নিয়ে এজেন্সিগুলোকে জরুরি নির্দেশনা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের
২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া অনুমোদিত হজ এজেন্সিগুলোর জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। হজ মিশন ভিসা ইস্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্ধারিত তথ্য ও ব্যাংকে ফি জমার মূল রসিদ আগামী রবিবার (১১ অক্টোবর) মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের হজে নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা ১০০ বা তার বেশি—এমন ২৬০টি এজেন্সিকে একটি করে মিশন ভিসা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা ১০০-এর কম হলেও আটটি লিড এজেন্সি ও দুটি মোনাজ্জেম এজেন্সিকে একটি করে ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৭০টি হজ মিশন ভিসা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত ছকে এজেন্সির নাম, লিড নম্বর, নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা এবং এজেন্সির মালিক, মোনাজ্জেম বা প্রতিনিধির নাম, পদবি, পাসপোর্ট নম্বর ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। পূরণ করা তথ্যের সফটকপি ১১ অক্টোবরের মধ্যে ০১৯২১-৪৬৭৭১৮ নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে এজেন্সির নিজস্ব প্যাডে স্বাক্ষর করা হার্ডকপিও জমা দিতে হবে।
মিশন ভিসা পেতে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় নির্ধারিত বিভিন্ন ফি পরিশোধ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ভিসা, বিমা, ইলেকট্রনিক সেবা, জমজমের পানি, লাগেজ পরিবহন, তাঁবু ও মাশায়ের সেবার ফি এবং অন্যান্য প্রযোজ্য খরচ।
নির্ধারিত অর্থ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার ‘Sale Proceeds of Haj Deposit’ হিসাব নম্বর ০০২-০০০২৬৩০০০০৯০৮-এ জমা দিতে হবে। এরপর জমার মূল রসিদ ঢাকার আশকোনায় অবস্থিত হজ অফিসে দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
এ ছাড়া মিশন ভিসার আওতায় যাতায়াতের বিমান ভাড়া ও অন্যান্য পরিবহন খরচ এবং সৌদি আরবে থাকা-খাওয়ার সব ব্যয় সংশ্লিষ্ট ভিসাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা এজেন্সিকে বহন করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নির্দেশনার অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সভাপতি ও মহাসচিব, আশকোনা হজ অফিসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
বিভি/টিটি













মন্তব্য করুন: