পদ্মায় ডুবে যাওয়া সেই সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসচালকের মরদেহও উদ্ধার
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায় ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস। ওই ঘটনায় দেশজুড়ে শোকের রোল পড়ে যায়। একে একে উদ্ধার হয় ২৬টি মরদেহ। এক পর্যায়ে চালক আরমান খানের (৩১) মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত বাসচালক আরমান রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার পশ্চিমখালখোলা গ্রামের আরব খানের ছেলে। দুর্ঘটনার সময় বাসটি আরমান খান চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
এদিকে বাসচালক আরমানের ফুপাতো ভাই বলেন, ফেসবুক-টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনেকেই গুজব ছড়িয়েছেন যে বাসের চালক পান খাওয়ার জন্য বাস থেকে নেমে গেলে তখন হেলপার চালাচ্ছি। কিন্তু ঘটনাটি সত্য নই। কারণ বাস থেকে যদি আরমান নেমেই যাবে তাহলে মরদেহ কেন পাওয়া গেল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সৌহার্দ্য পরিবহনের একজন স্টাফ বলেন, গতকাল দুর্ঘটনায় পতিত হওয়া বাসটির চালক আরমান ছিলেন। সে নিজেই বাসটি ড্রাইভ করছিলেন। তার পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সও রয়েছে।
তবে এ ব্যাপারে সৌহার্দ্য পরিবহনের মালিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী, ৮ শিশু ও ৭ জন পুরুষ। ইতোমধ্যেই ২৪ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
বিভি/এজেড



মন্তব্য করুন: