জাতীয় ক্রিকেট লিগ
মাত্র ৩ দিনেই বরিশালকে হারিয়ে খুলনার বড় জয়
জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডে তিন দিনেই বরিশালের বিপক্ষে ইনিংস ও ১৩৫ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে খুলনা বিভাগ। খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের বোলিং তোপে দুই ইনিংসেই বড় ধস নামে বরিশালের ব্যাটিংয়ে।
ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৪২৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে খুলনা। জবাবে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৯৪ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়ে বরিশাল। দ্বিতীয় ইনিংসেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। ১৯৭ রানে গুটিয়ে গেলে ইনিংস ও ১৩৫ রানের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় খুলনা।
খুলনার হয়ে প্রথম ইনিংসে কালাম সিদ্দিকি ৯২, অধিনায়ক মোহাম্মদ মিথুন ৮৯, আফিফ হোসেন ৫০ এবং নুরুল হাসান সোহান ৪৭ রান করেন। বরিশালের বোলারদের মধ্যে রুয়েল মিয়া ৮০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে সফল হন।
তবে ব্যাটিংয়ে নেমে খুলনার বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বরিশাল। মাত্র ৯৪ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়ে তারা। দ্বিতীয় ইনিংসে হাফিজুর রহমানের লড়াকু ৯১ রানের ইনিংসও দলকে পরাজয় থেকে রক্ষা করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১৯৭ রানে অলআউট হয়ে তিন দিনেই ম্যাচ হেরে যায় বরিশাল।
খুলনার বোলারদের মধ্যে সরফ আলী ৪টি এবং শেখ পারভেজ জীবন ৩টি উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৬ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে অপরাজিত ২৯ রান করায় ম্যাচসেরার পুরস্কার পান খুলনার সরফ আলী।
সিলেটে ময়মনসিংহের লিড
সিলেটে ময়মনসিংহের করা ৩১১ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ৩২৭ রান করে ১৬ রানের লিড নেয় স্বাগতিক সিলেট। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ময়মনসিংহ। মাহফিজুল ইসলামের অপরাজিত ৮৭ রানের ওপর ভর করে ১ উইকেটে ১৪৮ রান সংগ্রহ করেছে তারা। তৃতীয় দিন শেষে ময়মনসিংহের লিড দাঁড়িয়েছে ১৩২ রানে।
রংপুরের লিড
মিরপুরে রংপুরের ৩৪০ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৮৪ রানেই গুটিয়ে যায় ঢাকা। তাইবুর রহমানের ১০৮ রানের সেঞ্চুরিও ঢাকাকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারেনি। ফলে প্রথম ইনিংসে ৫৬ রানের লিড নিয়েছে রংপুর।
চট্টগ্রামের এগিয়ে যাওয়া
চট্টগ্রামে রাজশাহীর করা ৩৬৪ রানের জবাবে দারুণ ব্যাটিং করেছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ১০৫ এবং সাদেকুর রহমান ১১৫ রান করেন। অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরের ৮৬ রানের ইনিংসের সুবাদে ৩৯৩ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম। ফলে প্রথম ইনিংসে ২৯ রানের লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: