স্কিনোর কনসালট্যান্ট হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার কসমেটিকস বিশেষজ্ঞ ড. কিম
কসমেটিকসের গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড স্কিনোর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কসল্যাব পার্সোনাল কেয়ার লিমিটেডের কনসালট্যান্ট হিসেবে যুক্ত হয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার কসমেটিকস বিশেষজ্ঞ ড. কিম জুন হো।
জানা যায়, কসমেটিকস ফর্মুলেশন, উপাদান, অ্যাডভান্সড ডেলিভারি সিস্টেম, ন্যানোটেকনোলজি ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে ড. কিমের ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি আমোরে প্যাসিফিক, ইন্টারকস কোরিয়া, সিনসেগে ইন্টারকস কোরিয়া ও সিনসেগে ইন্টারন্যাশনালের মতো প্রতিষ্ঠানে গবেষণা ও নেতৃত্বস্থানীয় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৯৩ সালে আমোরে প্যাসিফিকের গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) সেন্টারে কর্মজীবন শুরু করেন ড. কিম। সেখানে প্রায় ২২ বছর ধরে উন্নত স্কিনকেয়ার ফর্মুলেশন ও নতুন কসমেটিকস উপাদান নিয়ে গবেষণা করেন তিনি। ন্যানোটেকনোলজি, লাইপোসোম, পলিমেরিক মাইসেল, ন্যানোপার্টিকেল এবং ট্রান্সএপিডার্মাল ডেলিভারি সিস্টেম ছিল তার গবেষণার অন্যতম ক্ষেত্র।
এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফাংশনাল স্কিনকেয়ার পণ্যের কার্যকারিতা ও পারফরম্যান্স উন্নয়নে কাজ করেছেন তিনি। আমোরে প্যাসিফিকের অধীনে ইনিসফ্রি, কসআরএক্স, হেরা ও লানেইজের মতো বিভিন্ন জনপ্রিয় বিউটি ব্র্যান্ড রয়েছে।
পরবর্তীতে ড. কিম ইন্টারকস কোরিয়ার ইনোভেশন সেন্টারে হেড অব আরঅ্যান্ডডি এবং সিনসেগে ইন্টারকস কোরিয়ায় হেড অব অ্যাডভান্সড আরঅ্যান্ডডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সিনসেগে ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রযুক্তি কৌশল, পণ্য উদ্ভাবন ও উন্নত গবেষণা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন। বর্তমানে তিনি টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার হিসেবেও কাজ করছেন।
ড. কিম সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পলিমার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি এবং সগাং ইউনিভার্সিটি থেকে কেমিস্ট্রিতে বিএসসি ও এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর ৩০টির বেশি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা এবং ৬০টির বেশি পেটেন্ট রয়েছে। প্রায় এক দশক ধরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কসমেটিকস সায়েন্স, অ্যাডভান্সড কসমেটিকস ইনগ্রেডিয়েন্টস, ফাংশনাল কসমেটিকস ও ডেলিভারি টেকনোলজি বিষয়েও পাঠদান করেছেন তিনি।
কসল্যাবের আরঅ্যান্ডডি টিমকে বিশ্বমানের গবেষণা দলে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবেন ড. কিম। প্রতিষ্ঠানটির ঢাকা ও সিউলের গবেষণাকেন্দ্রে প্রায় ২০ জন কেমিস্ট ও ফার্মাসিস্টের সঙ্গে তিনি কাজ করবেন।
কসল্যাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড. কিমের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে উন্নত গবেষণা, উদ্ভাবনী ফর্মুলেশন এবং আন্তর্জাতিক মানের পণ্য উন্নয়নের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে তাদের। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর কসমেটিকস পণ্য তৈরি করে আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
বর্তমানে কসল্যাব স্কিনো ছাড়াও ইনসেই, ডেইলি বাথ ও ইনবিউটিসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জন্য গবেষণা ও পণ্য উৎপাদন করছে।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: