• NEWS PORTAL

  • শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

সেন্ট মার্টিনে রাত্রিযাপনের সুযোগ বাড়ছে, জেনে নিন নতুন নিয়ম

প্রকাশিত: ২২:৩৮, ১ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
সেন্ট মার্টিনে রাত্রিযাপনের সুযোগ বাড়ছে, জেনে নিন নতুন নিয়ম

পরিবর্তন আসছে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যাতায়াত ও ভ্রমণ সংক্রান্ত বিধি-নিষেধে। দ্বীপে রাত্রিযাপনের সময়কাল বাড়াতে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং সেখানকার জীবন-জীবিকার বিষয়গুলোও নিশ্চিত করে তারা নতুন গাইডলাইন তৈরি করছে। পরিবর্তিত গাইডলাইন প্রকাশ করা হতে পারে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে।

এর আগে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৪ সালের অক্টোবরে সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দ্বীপটিতে পর্যটকদের ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা জারি করেছিলো।

সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, সেখানে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি দু মাস নির্দিষ্ট সংখ্যক পর্যটকের রাত্রিযাপনের সুযোগ রাখা হয়েছিলো। নভেম্বর মাসে শুধু দিনের বেলায় সেন্ট মার্টিন ঘোরার অনুমতি ছিলো, রাতে থাকা যেতো না। তবে বর্তমান সরকার সেই নির্দেশনায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে।

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, যে মানুষটা ছয় বা সাত ঘণ্টা জার্নি করে যাচ্ছে, দুই ঘণ্টা থেকে আবার ছয় সাত ঘণ্টা জার্নি করে কক্সবাজার ফিরছে, এটা একেবারেই আনহেলদি প্র্যাকটিস।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে রাত্রিযাপনের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে তারা একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তার ভাষ্য, ‘এটি নিয়ে সক্রিয় আলোচনা করা হচ্ছে, আগের নেওয়া এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে আলোচনা হচ্ছে।’

তবে বর্তমান সরকার পর্যটকের সংখ্যা কিংবা ভ্রমণের সময়সীমা আরও বাড়াবে কি না সেই বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে শুনানি বা বৈঠক হবে, সেই বৈঠকে তাদের বক্তব্যসহ সব পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে একটা গাইডলাইন দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে দেওয়া শর্তগুলোর মধ্যে ছিলো, সেখানে কোনো আলোকসজ্জাসহ বারবিকিউ পার্টি না করা, রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি বা বারবিকিউ পার্টিও নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো।

এ ছাড়াও বিধি-নিষেধের মধ্যে আরও ছিলো, দ্বীপটির কেয়াবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, কেয়া ফল সংগ্রহ বা ক্রয়-বিক্রয়, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুক ও অন্যান্য জীব-বৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। একই সঙ্গে সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ যেকোনো মোটরচালিত যানবাহন চলাচল না করা।

এসব বিধি-নিষিধে কোনো পরিবর্তন আসছে কি না-জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘সবার আগে এই দ্বীপটিকে সুরক্ষা করতে হবে। এখানকার জীববৈচিত্র্য যাতে সুরক্ষিত হয় সে জন্য আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি।’ -সূত্র : বিবিসি বাংলা।


 

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত