সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপনে ‘স্বপ্ন সারথী’র সংবর্ধনা
অভাব যেন কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্নের শেষ ঠিকানা না হয়—এই বার্তা সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিতে কাজ করা প্ল্যাটফর্ম ‘স্বপ্ন সারথী’ আজ মঙ্গলবার ঢাকায় আয়োজন করে ‘সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান’। প্রতিকূলতা জয় করে শিক্ষাজীবনে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখা দেশের ৮টি স্কুলের ৮২ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদেরও তাদের অদম্য প্রচেষ্টা ও সাফল্যের জন্য সম্মাননা জানানো হয়। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, নাগরিক সমাজ এবং বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনের মূল স্বপ্নদ্রষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল বলেন, “একটি শিশুর স্বপ্ন কখনো তার পরিবারের আর্থিক সামর্থ্যের কাছে হার মানতে পারে না। আমরা চাই, প্রতিটি শিশু তার মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ তৈরি করার সুযোগ পাক। ‘স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাই’—এই বিশ্বাস থেকেই ‘স্বপ্ন সারথী’র যাত্রা। বিভিন্ন সংগঠনের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে একত্র করে আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোররা শুধু সহায়তা নয়, নিজেদের স্বপ্ন পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ ও সাহসও পাবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কবি ও সাহিত্যিক আনিসুল হক।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ডক্টর মোহাম্মদ জকরিয়া বলেন, অবহেলিত ও পিছিয়ে পরা এই শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য ‘স্বপ্ন সারথী’র এই আয়োজন বেশ অর্থবহ এবং আয়োজক সংগঠনসমূহের কার্যক্রম প্রশংসার দাবি রাখে।
অন্যান্য অতিথিরা ছাত্র-ছাত্রীদের এই ধারাবাহিক সফলতা কামনা করে এই আয়োজনের জন্য ‘স্বপ্ন সারথী’র সকল সংগঠনকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে ভিডিও প্রদর্শন, কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) তুলে দেয়া হয়।
বিভি/এজেড













মন্তব্য করুন: