রানা-বীর, দীপিকা, প্রিয়াঙ্কাকে ধমকেছেন সঞ্জয় লীলা বানসালি
বলিউডে নিজের নিখুঁত কাজের জন্য যেমন প্রশংসিত, তেমনি শুটিং সেটে রাগী মেজাজের জন্যও আলোচিত নির্মাতা সঞ্জয় লীলা বানসালি। এবার তার সেই স্বভাবের পক্ষেই কথা বললেন বর্ষীয়ান অভিনেতা রাজা মুরাদ।
সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানির সঙ্গে এক আলাপচারিতায় বানসালির মেজাজ নিয়ে মুখ খোলেন রাজা মুরাদ। তার দাবি, কাজ ঠিকমতো না হলে কিংবা নিজের ভাবনা বারবার বোঝাতে ব্যর্থ হলে রেগে যান বানসালি। তবে সেই রাগ ব্যক্তিগত নয়, বরং কাজের স্বার্থেই।
রাজা মুরাদের ভাষায়, বানসালি শুরু থেকেই রেগে থাকেন না। কিন্তু কোনো বিষয় বারবার বোঝানোর পরও যখন কাঙ্ক্ষিত ফল আসে না, তখনই তার মেজাজ হারানোর ঘটনা ঘটে।
শুধু সহকারী বা টেকনিশিয়ান নয়, বলিউডের বড় তারকাদের সঙ্গেও বানসালিকে রাগতে দেখেছেন বলে জানান এই অভিনেতা। তার দাবি, রণবীর সিং, দীপিকা পাড়ুকোন এবং প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার মতো তারকাদের সঙ্গেও সেটে বানসালিকে চিৎকার করতে দেখেছেন তিনি।
তবে বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন না রাজা মুরাদ। বরং বানসালির এই একাগ্রতাকে তুলনা করেছেন কিংবদন্তি পরিচালক রাজ কাপুরের সঙ্গে। তার মতে, দুজনেই ছিলেন ‘পারফেকশনিস্ট’—নিজেদের কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া পর্যন্ত সহজে থামতেন না।
রাজ কাপুরের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও রয়েছে রাজা মুরাদের। ‘প্রেম রোগ’, ‘রাম তেরি গঙ্গা মৈলি’ এবং ‘হেনা’র মতো সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। অন্যদিকে বানসালির সঙ্গে তার কাজের তালিকায় রয়েছে ‘গোলিওঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা’, ‘বাজিরাও মাস্তানি’, ‘পদ্মাবত’ এবং ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি’।
দীর্ঘ পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে খলনায়ক ও পার্শ্বচরিত্রে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন রাজা মুরাদ। তার অভিজ্ঞতায়, বানসালি ও রাজ কাপুর—দুজনের কাছেই শুটিং সেট মানেই ছিল কাজের জায়গা। সময়, শিফট কিংবা অতিরিক্ত দিনের হিসাবের চেয়ে তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল কাঙ্ক্ষিত দৃশ্যটি নিখুঁতভাবে পর্দায় তুলে ধরা।
এদিকে বর্তমানে নিজের পরবর্তী সিনেমা ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পোস্ট-প্রোডাকশনে ব্যস্ত সঞ্জয় লীলা বানসালি। ছবিতে একসঙ্গে দেখা যাবে রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশলকে। যুদ্ধের আবহে নির্মিত এই পিরিয়ড রোমান্টিক ড্রামায় আবারও রণবীর ও আলিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন বানসালি।
ছবিটি চলতি বছরে মুক্তির কথা থাকলেও পিছিয়ে গেছে মুক্তির তারিখ। নতুন সূচি অনুযায়ী, ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ মুক্তি পাওয়ার কথা ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি।
বিভি/জোহা













মন্তব্য করুন: