• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজায় হামলার সময় নিজেদের ড্রোনেই মৃত্যু! প্রাণ গেলো ২ ইসরায়েলি সেনার

প্রকাশিত: ১৪:৫১, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৪:৫১, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
গাজায় হামলার সময় নিজেদের ড্রোনেই মৃত্যু! প্রাণ গেলো ২ ইসরায়েলি সেনার

গাজায় হামলা চালাতে গিয়ে এবার নিজেদেরই বিস্ফোরকবাহী ড্রোনের বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো দুই ইসরায়েলি সেনার। টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, উত্তর গাজায় একটি সামরিক পোস্টের ভেতরে উড়ন্ত ড্রোনটি বিকল হয়ে পড়ে গেলে সেটি পরীক্ষা করতে গিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শিকার হন ওই রিজার্ভ সেনারা। 

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী, আইডিএফ জানিয়েছে, নিহত দুই সেনা হলেন ২৪ বছর বয়সী মাস্টার সার্জেন্ট নাদাভ কালি এবং ২৩ বছর বয়সী মাস্টার সার্জেন্ট ওফেক মোয়ালেম। দুজনই আইডিএফ-এর জেরুজালেম ব্রিগেডের ৭০০৭ ব্যাটালিয়নে দায়িত্বরত ছিলেন। 

আইডিএফের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে সীমান্তের কাছে একটি সামরিক চৌকি থেকে ওই দুই সেনা একটি ছোট আকারের এফপিভি ড্রোন পরিচালনা করছিলেন। ইসরায়েলি বাহিনীতে ‘আতালেফ’ বা ‘বাদুড়’ নামে পরিচিত এই ড্রোনগুলো পর্যাপ্ত বিস্ফোরক বহনে সক্ষম।

সামরিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ওইদিন একটি ড্রোন সফলভাবে উড্ডয়ন করে নির্ধারিত অভিযান শেষ করে। কিন্তু এরপর আরেকটি ড্রোন আকাশে ওঠার পরপরই অজ্ঞাত কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামরিক চৌকির ভেতরেই বিকল হয়। কয়েক মিনিট কেটে গেলে দুই সেনা ড্রোনটির কাছে যান। সেটি পরীক্ষা করে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করার সময় আচমকাই ঘটে বিস্ফোরণ।

বিস্ফোরণে দুজনই গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাদের গাজার কাছাকাছি ইসরায়েলের আশকেলন শহরের মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা সেখানে দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাটির প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। ড্রোনটি কেন বিধ্বস্ত হয়েছিল কিংবা মাটিতে পড়ে থাকার পর কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটলো, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

এদিকে এই দুর্ঘটনার পর সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বিস্ফোরক বহনে সক্ষম ছোট আকারের ড্রোনের ব্যবহার সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে আইডিএফ। 

টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন এখন ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়মিত অস্ত্রব্যবস্থার অংশ। কিন্তু শত্রুপক্ষকে লক্ষ্য করে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা একটি বিস্ফোরক ড্রোন নিজেদের সামরিক অবস্থানের ভেতরেই প্রাণঘাতী হয়ে ওঠার ঘটনা সেই প্রযুক্তি ব্যবহারের ঝুঁকির বিষয়টি সামনে এনেছে। 

বিভি/এইচজে

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত