• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

বিক্ষোভের আগে দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ মোবাইল ইন্টারনেট

প্রকাশিত: ২৩:৩৪, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
বিক্ষোভের আগে দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ মোবাইল ইন্টারনেট

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে এবার মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত বিক্ষোভ মোকাবিলায় জনপথ-কর্তব্য পথ ক্রসিংয়ের চারপাশের চার কিলোমিটার এলাকায় টানা ২৪ ঘণ্টা ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে। 

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টা থেকে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ১০টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। খবর এনডিটিভির।

শুক্রবার সন্ধ্যায় দিল্লি পুলিশের উপকমিশনারের (ডিসিপি) কার্যালয় থেকে এয়ারটেল, ভোডাফোন-আইডিয়া, জিও ও এমটিএনএলকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।

ইন্টারনেট বন্ধের আওতায় পড়বে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকা। এর মধ্যে রয়েছে কনট প্লেস, মান্ডি হাউস, প্রগতি ময়দান, গুরুদুয়ারা বাংলা সাহিব, বারাখাম্বা রোড, খান মার্কেট, লোধি রোড ও জাংপুরার কিছু অংশ।

বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন দিল্লি মেট্রো ও দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধ নিয়েও বিতর্ক চলছে। এর আগে রাজীব চক, নতুন দিল্লি, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, প্যাটেল চক ও কাশ্মীরি গেটসহ দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ শুক্রবার রাত ৯টা থেকে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি শনিবার ভোর ৪টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে নতুন দিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা ছিল—এমন ৬০টিরও বেশি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে গত জুলাইয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভের সময়ও কয়েক দিন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল। ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্দোলনকারী তরুণদের পাশাপাশি বিক্ষোভের ভিডিও ধারণকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবে ফুটেজ প্রকাশ করতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল।

তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

এদিকে, মেট্রো ও ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে দায়ের করা এক রিটের শুনানিতে শুক্রবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালত বলে, পরিস্থিতি মোকাবিলার নামে সবকিছু অচল করে দেওয়া উচিত নয়। তরুণ থেকে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষ যাতায়াতের জন্য এসব পরিবহনের ওপর নির্ভর করেন। সাধারণ যাত্রীদের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কোনো পরিষেবা সীমিত করা এবং পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার মধ্যে পার্থক্য আছে বলেও মন্তব্য করে আদালত।

এর আগে আদালত এ ধরনের বিধিনিষেধের ব্যাপকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মন্তব্য করে, ‘মাছি মারতে কামান দাগা যায় না।’

বিভি/এজেড

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত