• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

আজান শুনলে যে আমলগুলো করবেন, জেনে নিন ইসলামের নির্দেশনা

প্রকাশিত: ১২:৫৯, ৭ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৩:০৬, ৭ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
আজান শুনলে যে আমলগুলো করবেন, জেনে নিন ইসলামের নির্দেশনা

প্রতিকী (এআই)

নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আর নামাজের সময় হওয়ার ঘোষণা হিসেবে মসজিদে দেওয়া হয় আজান। আজান শুধু নামাজের সময় জানানোর মাধ্যম নয়; এটি মুসলিমদের জন্য ইবাদতের আহ্বানও। তাই আজান শুনলে একজন মুসলিমের কিছু সুন্নত আমল করা উচিত।

আজান শুনে জবাব দেওয়া
রাসুলুল্লাহ ﷺ আজানের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে, মুয়াজ্জিন আজানের বাক্যগুলো বললে শ্রোতা অনুরূপ বাক্য বলবে।
তবে মুয়াজ্জিন যখন বলেন, ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ এবং ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’, তখন শ্রোতা বলবে;
উচ্চারণ: লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
অর্থ: আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।

আজান শেষ হলে দরুদ পড়া
আজানের জবাব শেষ করার পর রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর ওপর দরুদ পাঠ করা সুন্নত। এরপর আজানের পরের বিশেষ দোয়া পড়া উচিত।

আজানের পরের দোয়া
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ، [إِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ] 

অর্থ: হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত নামাজের রব, মুহাম্মদ ﷺ-কে ওসিলা ও মর্যাদা দান করুন এবং তাঁকে সেই প্রশংসিত স্থানে অধিষ্ঠিত করুন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন।

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আজানের পর এই দোয়া পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সুপারিশ তার জন্য প্রাপ্য হবে। (সহিহ বুখারি)
আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে দোয়া
আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময় দোয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে করা দোয়া প্রত্যাখ্যাত হয় না। (সুনানে আবু দাউদ, জামে তিরমিজি)

তাই আজান শুনে জবাব দেওয়ার পাশাপাশি নিজের, পরিবার ও উম্মাহর কল্যাণের জন্য দোয়া করা উচিত।

আজান শুনে কী করবেন; সংক্ষেপে
    মনোযোগ দিয়ে আজান শুনতে হবে।
    মুয়াজ্জিনের আজানের জবাব দিতে হবে।
    ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ ও ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ শুনে ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলতে হবে।
    আজান শেষ হলে দরুদ পড়তে হবে।
    এরপর আজানের পরের দোয়া পড়তে হবে।
    আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে বেশি বেশি দোয়া করা উচিত।

আজানের সময় অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা ও ব্যস্ততা বাদ দিয়ে মনোযোগ দিয়ে এর জবাব দেওয়া একজন মুসলিমের জন্য অত্যন্ত সুন্দর একটি আমল। নিয়মিত এই সুন্নতগুলো পালনের মাধ্যমে আজানের সময়টুকুকেও ইবাদতের অংশে পরিণত করা যায়।

বিভি/এনএইচ

মন্তব্য করুন:

সর্বাধিক পঠিত