• NEWS PORTAL

  • শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

প্রতিবেশীর ঘরের আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ, সাত দিন পর মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:০০, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ফন্ট সাইজ
প্রতিবেশীর ঘরের আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ, সাত দিন পর মৃত্যু

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে প্রতিবেশীর ঘরে লাগা আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ মো. সোহাগ (৪৩) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকার একটি বার্ন ইউনিট হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে, গত ৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কালুয়াই গ্রামের সুলতান চকিদার বাড়িতে আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ হন সোহাগ।

নিহত সোহাগ ওই বাড়ির মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ অক্টোবর সোহাগের দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাই সালাউদ্দিনের বসতঘরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং বাড়ির ছয়টি ঘর পুড়ে যায়। আগুন দেখে অন্যদের সঙ্গে সোহাগও তা নেভাতে এগিয়ে যান। একপর্যায়ে সালাউদ্দিনের ঘর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার বের করার সময় তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকার একটি বার্ন ইউনিট হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাত দিন পর তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আজগর হোসেন সহেল বলেন, সোহাগ খুবই আবেগী মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোনাইমুড়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ডিউটি অফিসার ফায়ার ফাইটার নোমান হোসেন বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ওই দিন ছয়টি ঘর পুড়ে যায়। আগুন লাগার খবর পেয়ে সোহাগও অন্যদের সঙ্গে তা নেভানোর কাজে অংশ নেন। একপর্যায়ে একটি ঘর থেকে জিনিসপত্র বের করতে গিয়ে তিনি দগ্ধ হন।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহাগের মৃত্যু হয়েছে বলে তার স্বজনেরা জানিয়েছেন। তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নেওয়ার আবেদন করেছেন। এ জন্য সোনাইমুড়ী থানা থেকে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় একটি ঘর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার বের করতে গিয়ে সোহাগ দগ্ধ হন।

বিভি/পিএইচ

মন্তব্য করুন: