বঙ্গোপসাগর ঘিরে জলবায়ু শঙ্কা, আঞ্চলিক সহযোগিতার তাগিদ
জলবায়ু পরিবর্তন কেবল মালদ্বীপের একার সমস্যা নয়, এর ভয়াবহ প্রভাব বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর ওপরও পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ। সোমবার (৫ অক্টোবর) ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর সমাপনী দিনের কনফারেন্সে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় ভূ-রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কানাডা ও বাংলাদেশের মতো মধ্যম শক্তির দেশগুলোর সক্ষমতার কথা তুলে ধরেন ঢাকায় নিযুক্ত কানাডিয়ান হাইকমিশনার অজিত সিং।
তিনি বলেন, আগামী দিনে কানাডা ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও বহুমাত্রিক হবে। বিশেষ করে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি, জলবায়ু প্রযুক্তি, শিক্ষা, ডিজিটাল উদ্ভাবন ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের আরও এগিয়ে যাওয়ার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।
কানাডিয়ান হাইকমিশনার বলেন, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে মধ্যম শক্তির দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও কানাডা সেই সম্ভাবনাকে আরও কাজে লাগাতে পারে।
অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জরিস ভ্যান বোমেল।
তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অঞ্চল নয়, এটি অর্থনীতি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও ব্যাপক সম্ভাবনা বহন করে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমুদ্রের নিরাপত্তা ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বিভি/পিএইচ













মন্তব্য করুন: