নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে সম্পৃক্ত
চুয়েটের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন বন্ধ করে দিয়েছেন নতুন ভিসি
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগ বাতিল ও সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবীতে চলা আন্দোলনের দুই সপ্তাহ পার হলেও এ বিষয়ে কোনো সুরাহা না হওয়ায় আন্দোলন ক্যাম্পাস ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ছে নগরীতে।
গত দুই সপ্তাহ ধরে এই আন্দোলন চুয়েট ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ থাকলেও সরকারের নীরব ভূমিকার কারণে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে চুয়েট শিক্ষার্থীরা। দাবী পূরণ না হলে এই আন্দোলন ক্যাম্পাসে সীমাবদ্ধ না রেখে নগরীতে ছড়িয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারীও দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।
এদিকে সংকট নিরসন না করে চুয়েটের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে সম্পৃক্ত হওয়ায় চুয়েটের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন বন্ধ করে দিয়েছেন।
এর প্রতিবাদে আজ বিকেলে বিক্ষোভ করার কথা রয়েছে চুয়েট শিক্ষার্থীদের। পাশাপাশি গত ১৬ দিন ধরে ক্যাম্পাসে চলছে কমপ্লিট শাট ডাউন কর্মসূচী। ফলে চুয়েটে বন্ধ রয়েছে এ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের দাবীর সাথে সমর্থন জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি ও চুয়েট অফিসার্স এসোসিয়েশনও।
চুয়েট শিক্ষার্থীদের দাবী, সদ্য সাবেক অধ্যাপক ড.আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবী না মানা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস–চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই বিক্ষোভে নামেন শিক্ষার্থীরা।
বিভি/এজেড













মন্তব্য করুন: